Posts

সাড়ম্বরে উদযাপিত হলো তপন থিয়েটারে মিউনাস নাট্যদলের ২৭ তম জন্মদিন পালন অনুষ্ঠান

Image
ইন্দ্রজিৎ আইচ (কলকাতা):- দক্ষিণ কলকাতার তপন থিয়েটার  ৩১ আগস্ট  সোমবার সন্ধ্যায় অনুষ্ঠিত হলো মিউনাস নাট্যদলের ২৭ তম জন্মদিন পালন অনুষ্ঠান । এই অনুষ্ঠানে আলোক শিল্পী চিত্ত সরকার  স্মৃতি থিয়েটার সন্মাননা ২০২৬ পেলেন তিন নাট্য ব্যক্তিত্ব দ্বৈপায়ন,  শুভাশিস খামারু এবং দুলাল চক্রবর্তী।  উপস্থিত ছিলেন জনপ্রিয় অভিনেতা সঞ্জীব সরকার ও  অভিনেত্রী সুচরিতা বড়ুয়া চট্টোপাধ্যায়। সকলেই তাদের ভাষণে মিউনাসের ২৭ তম জন্মদিনে প্রতি বছরের এই উদ্যোগকে সাধুবাদ জানান। এই সন্মাননা প্রদানের পর মঞ্চস্থ হয় মিউনাস নাট্য দলের নতুন প্রযোজনা  নাটক " নাথুরাম বলছি "। নাটক ও প্রয়োগ উৎসব দাস। এই নাটকে আলো, মঞ্চ ও আবহ সংগীত করেছেন  বাবলু সরকার, অজিত রায় এবং সৌমেন দত্ত। দুর্দান্ত অভিনয় করেছেন মলয় মুখার্জী, শঙ্কর চক্রবর্তী, প্রণয় শর্মা, সৌগত কর্মকার, সোমনাথ পাল, পিঙ্কি দাস,  সৌমিত্র ঘোষ । সমগ্র অনুষ্ঠানটির ভাবনা ও পরিচালনায় ছিলেন মিউনাসের কর্ণধার ও নির্দেশক উৎসব দাস।

নন্দনে প্রদর্শিত হলো "লোকনাথ বাবার বাল্যলীলা"সকলের দেখার মতন ছবি

Image
ইন্দ্রজিৎ আইচ (কলকাতা):- এক্সেল মিডিয়া নিবেদিত  স্বপন কুমার দাস ও সঞ্জয় দাস প্রযোজিত ছবি লোকনাথ বাবার বাল্যলীলা  গত ২৮ আগস্ট শুক্রবার নন্দন ২ তে দেখানো হলো।  এই ছবির পরিচালক হলেন জয়শঙ্কর। এই ছবির সঙ্গীত ও সম্পাদনা করেছেন চন্দন রায় চৌধুরী ও দীপক মন্ডল। সুব্রতনাথ মুখোপাধ্যায় ও  স্বরজিত বন্দোপাধ্যায় গান গুলো রচনা করেছেন ।  গান গুলো চমৎকার গেয়েছেন  অনিন্দিতা সাহা, ইন্দ্রাণী সেন, ইন্দ্রনীল সেন, দেবস্মিতা দাস, পিনাকী চক্রবর্তী ও সৃজয়ী দাস। এই ছবিতে ভালো অভিনয় করেছেন অরিন্দম গাঙ্গুলী, অরণ্য রায় চৌধুরী, ইমন আদিত্য, সমদর্শী দত্ত,  সুদীপ্তা চক্রবর্তী, সোহম চ্যাটার্জী এবং অনামিকা সাহা।  নন্দনে এই ছবির প্রিমিয়ারে পরিচালক জয়শঙ্কর এক সাংবাদিক সম্মেলনে বলেন বাম আমলে নন্দনে ধর্মীয়  কাহিনীচিত্র যেমন দেখানোর সুযোগ ছিল না, তেমনই তৃণমূল জমানাতেও নন্দনে ধর্মতত্ত্ব বা হিন্দু আধ্যাত্মিকতার উপর কোনো কাহিনীচিত্র মুক্তি বা প্রদর্শনের সুযোগ পাওয়া যেত না। সাম্প্রতিক অতীতে রাজ্যে ক্ষমতার পালাবদল হওয়ার পরেই হিন্দু ধর্মের অন্যতম অবতারে...

শ্যামনগর শাব্দিক এর আয়োজনে অনুষ্ঠিত হলো " একটি সন্ধ্যা আবৃত্তি যাপন "

Image
ইন্দ্রজিৎ আইচ (সংবাদ এই সময়):- গত ২৩ আগস্ট ২০২৬ রবিবার সন্ধ‍্যায় পশ্চিমবঙ্গ বাংলা আকাডেমি ছিলো কানায় কানায় পূর্ণ। কারণ শ্যামনগর শাব্দিক এর আয়োজনে এই দিনের আবৃত্তি সন্ধ্যায় গুণীজনদের ভিড় ছিলো চোখে পড়ার মত। অনুষ্ঠানের উদ্বোধক ছিলেন  জনপ্রিয় বাচিক শিল্পী বিজয় লক্ষ্মী বর্মন এবং শুভদীপের মা মমতা দে। ছিলেন সিদ্ধার্থ মুখোপাধ্যায়, রিনা গিরির মতন বিশিষ্ট জনেরা। সকলেই শাব্দিক এর এই প্রয়াসকে সাধুবাদ জানায়। অনুষ্ঠানে কবিতা পাঠ ও আবৃত্তি করেন  অনির্বাণ ঘোষ, নিবেদিতা নাগ তহবিলদার, তমালি ঘোষ , ড: তৃপ্তি কুন্ডু রায়,  পারমিতা সমাদ্দার, সঞ্জীব দাস, ঝর্ণা বারুই, সোমা কাঞ্জিলাল ও রুমকি গাঙ্গুলী। দ্বৈত কবিতা পাঠ করেন  স্বাগতা পাল ও দেবাশীষ পাল। বিশেষ ভাবে নজর কেড়েছে সমবেত কবিতার কোলাজে শাব্দিক এর শিক্ষার্থীদের উপস্থাপনা। সমগ্র অনুষ্ঠানটি সঞ্চালনা করেন মৌলী দাশগুপ্ত। ভাবনা, পরিকল্পনা ও পরিচালনায় ছিলেন শ্যাম নগর শাব্দিক এর কর্ণধার বাচিক শিল্পী শুভদীপ দে।

গ্ল্যাম আইকন ইণ্ডিয়ার দ্বিতীয় পর্বে ব্যাপক সাড়া: রীতা মাইতি

Image
সন্তু চ্যাটার্জী (কলকাতা):-  সাংস্কৃতিক জগতের একাধিক পরিচিত মুখের উপস্থিতিতে আজ বিধাননগরে হয়ে গেল সৌন্দর্য প্রতিযোগিতা 'গ্ল্যাম আইকন ইণ্ডিয়া'-র দ্বিতীয় পর্ব।  অনুষ্ঠানের প্রথম পর্বে বিচারক হিসাবে উপস্থিত ছিলেন নেশায় আলোকচিত্রী তথা পেশায় পশ্চিমবঙ্গ সরকারের আবগারি বিভাগের অন্যতম যুগ্ম আয়ুক্ত অনুপম হালদার। ''গ্ল্যাম আইকন ইণ্ডিয়া"'-র প্রতিষ্ঠাত্রী রীতা মাইতি সংবাদমাধ্যমকে বলেছেন, "উঠতি মডেল, বাহারী পোশাকের ডিজাইনার এমনকি যাঁরা ফ্যাশন জগতে নিজেদের প্রতিষ্ঠিত দেখতে চান তাঁদের কথা ভেবেই দ্বিতীয়বার এই প্রতিযোগিতার আয়োজন করা হয়েছে। এই প্রতিযোগিতায় মোট ১০৫ জন প্রতিযোগী ও প্রতিযোগিনী অংশগ্রহণ করেন। সফল প্রতিযোগীদের ফটোশ্যুট করা হবে। রীতা মাইতির পাশাপাশি এই প্রতিযোগিতার প্রদর্শনী নির্দেশিকা মৌসুমি নায়েক  জানিয়েছেন "গ্ল্যাম আইকন ইণ্ডিয়া'-র দ্বিতীয় পর্বের এই প্রতিযোগিতায় কিডস, টিন, মিস্টার, মিস ও মিসেস ও ক্লাসিক বিভাগের বিভিন্ন পর্বে আজ প্রতিযোগী ও প্রতিযোগিনীরা অংশগ্রহণ করেছেন।" অন্যদিকে এই অনুষ্ঠানের অন্যতমা শো স্টপার...

চৈতন্য রিসার্চ ইনস্টিটিউটে ঝুলন যাত্রা ও রাখী বন্ধন উৎসব

Image
নিজস্ব প্রতিনিধি (সংবাদ এই সময়):- সমগ্র ভারতে মহাসমারোহে রাখি বন্ধন উৎসব পালন হল শুক্রবার। কলকাতায় শ্রীচৈতন্য রিসার্চ ইনস্টিটিউটে রাধা কৃষ্ণের ঝুলন যাত্রা সমাপন ও রাখি বন্ধন , বৈষ্ণব  সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়। ১৯৬৪ সালে এই মন্দিরটি উদ্বোধন করেন ভারতে প্রাক্তন রাষ্ট্রপতি ডঃ সর্বপল্লী রাধাকৃষ্ণাণ। এই মন্দিরটি স্থাপন করেন চৈতন্য মঠের প্রতিষ্ঠাতা প্রভুপাদ ভক্তি সিদ্ধান্ত সরস্বতী গোস্বামীর প্রিয় শিষ্য ভক্তিবিলাস তীর্থ গোস্বামী মহারাজ জগতের সর্বত্র শ্রীচৈতন্য মহাপ্রভুর বাণী প্রচারের জন্য এই মঠটি স্থাপন করেন।  মঠে লাইব্রেরীতে বই পড়ার ও বাড়িতে নিয়ে যাবার ব্যবস্থা আছে। ভক্তিবিলাস তীর্থ গোস্বামী মহারাজের প্রিয়জন প্রাক্তন মঠাচার্য শীল ভক্তি প্রজ্ঞান যতি গোস্বামী মহারাজের অনুপ্রেরণায় বর্তমান আচার্যদেব শ্রীমৎ ভক্তি স্বরূপ সন্ন্যাসী মহারাজের অনুগত্যে শুক্রবার  বৈষ্ণব-সম্মেলন উৎসব অনুষ্ঠিত হয়। উপস্থিত ছিলেন চৈতন্য রিসার্চ ইনস্টিটিউটের অধ্যক্ষ তূর্য্য স্বামী  মহারাজ,  কলকাতা হাইকোর্টের প্রাক্তন বিচারপতি বিশ্বজিৎ বসু ,অশোক দাসঅধিকারী,পার্থসখা দত্ত প্রমুখ।  ...

আশুতোষ মুখার্জি রোডে ভবানীপুরে সাউথ কলকাতা কংগ্রেস কমিটির পার্টি অফিসের শুভ উদ্বোধন হয়

Image
শুভ ঘোষ‌ (কলকাতা):- রাখি বন্ধনের শুভ দিনে নবরূপে নবসাজে দক্ষিণ কলকাতার যদু বাবু বাজার সংলগ্ন ৭০ নম্বর আশুতোষ মুখার্জি রোডে ভবানীপুরে সাউথ কলকাতা কংগ্রেস কমিটির পার্টি অফিসের শুভ উদ্বোধন হয়। যা প্রিয়রঞ্জন দাশমুন্সি ভবনের নামে নামকৃত করা হয়েছে। উদ্বোধনে উপস্থিত ছিলেন কংগ্রেস ওয়াকিং কমিটির সদস্য পশ্চিমবঙ্গ ভারপ্রাপ্ত পর্যবেক্ষক শ্রী প্রকাশ যোশীজি,পশ্চিমবঙ্গ প্রদেশ কংগ্রেসের সভাপতি শ্রী শুভঙ্কর সরকার, প্রাক্তন সাংসদ প্রদীপ ভট্টাচার্য, প্রবীণ কংগ্রেস নেতা শ্রী কুমুৎ ভট্টাচার্য, দক্ষিণ কলকাতার জেলা কংগ্রেসের কমিটির সভাপতি প্রদীপ প্রসাদ, পশ্চিমবঙ্গের কৃষান কংগ্রেসের ভাইস প্রেসিডেন্ট বাপি ভট্টাচার্য এছাড়া কংগ্রেসের আরো অনেক সদস্যগণ উপস্থিত ছিলেন।                     

রামকৃষ্ণ মিশন আদ্যাপীঠ গোশালায় অন্যরকম রাখি উৎসব:

Image
শুভ ঘোষ (কলকাতা):- রাখিপূর্ণিমার অত্যন্ত পবিত্র ক্ষণে এক অনন্য ও আধ্যাত্মিক আবহে রাখিবন্ধন উৎসব উদযাপিত হলো রামকৃষ্ণ মিশন আদ্যাপীঠের বিশাল গোশালা প্রাঙ্গণে। এই বিশেষ দিনে গোশালার সমস্ত গৌমাতা এবং নন্দী মহারাজকে পরম শ্রদ্ধার সাথে রাখি পরিয়ে ও আরতি করে তাঁদের সেবা করা হয়। সনাতন ধর্মে গৌমাতার স্থান দেবতুল্য। শাস্ত্রে বলা হয়েছে—"সর্বদেবময়ী হী গৌঃ সর্বদেবময়ো হরিঃ "(অর্থাৎ, গৌমাতা সর্বদেবময়ী এবং শ্রীহরি সর্বদেবময়।)এই সনাতন ভাবনাকে সমাজের সমস্ত স্তরে পৌঁছে দেয়ার জন্য উৎসবের দিন সকালে গোশালার সমস্ত বাসিন্দাদের চন্দন- কুমকুমের তিলক পরানো হয়,প্রদীপ জ্বালিয়ে আরতি করা হয় এবং তাঁদের সুস্বাস্থ্য ও দীর্ঘ জীবন কামনা করে মঙ্গল কামনা করা হয়। এরপর পরম যত্নে ও ভালোবাসায় তাঁদের প্রিয় পুষ্টিকর খাদ্যসামগ্রী খাওয়ানো হয়।এই অনন্য উৎসবের মূল উদ্যোক্তা তথা একনিষ্ঠ গৌমাতা সেবক শ্রী পিনাকী গাঙ্গুলী এবং তাঁর সহকর্মী ও শুভানুধ্যায়ীরা, বিশেষ করে তার সমমনো ভাবাপন্য সঙ্গী শ্রী সত্যজিৎ বেহেরা, শ্রী সৌভিক মজুমদার এবং অন্যান্য সঙ্গীরা এই পবিত্র কর্মযজ্ঞে উপস্থিত থেকে সমস্ত আয়োজন সুসম্পন্ন করেন। গৌশ...