Posts

বটতলা গোল্ডেন বয়েজের উদ্যোগে প্রত্যেক বছরের মত এ বছরও নিষ্ঠাভক্তির মধ্য দিয়ে পালিত হল গণেশ পুজো

Image
সংবাদ এই সময় : ওঁ একদন্তং মহাকায়ং লম্বোদর গজাননম্। বিঘ্ননাশকরং দেবং হেরম্বং প্রণমাম্যহম্।। রাজ্যের বিভিন্ন জায়গায় সিদ্ধিদাতা গণেশের আরাধনায় মেতে উঠেছে সমস্ত মানুষ। ঐতিহ্য বজায় রেখে ধুমধাম করে গণেশ পুজোয় মেতেছে উত্তর দমদম উত্তর প্রতাপগড় অঞ্চলের বটতলা গোল্ডেন বয়েজ । প্রত্যেক বছরের মত এ বছরও নিষ্ঠাভক্তি, আনন্দ ও বিভিন্ন আয়োজনের মধ্যে দিয়ে সিদ্ধিদাতা গণেশের পূজো করলেন গোল্ডেন বয়েজ এর সমস্ত সদস্যরা। শুধু সদস্যরা না এই পুজো ঘিরে উত্তর প্রতাপগড় অঞ্চলে ছিল উৎসবের আমেজ। দীর্ঘদিন ধরেই এই পুজো করে আসছে, উত্তরপতাগড় গোল্ডেন বয়েজ । সেদিন এই পুজো প্রাঙ্গণে বিভিন্ন গুণীজন মানুষ বহু স্থানীয় মানুষ উপস্থিতিতে এই পুজো আলোকিত হয়ে উঠেছিল।

ও মাঝিরে', এবারে গৌতম ঘোষ এর নতুন আলব্যাম

Image
সন্তু চ্যাটার্জী (কলকাতা):  কথা ছিল আশা ভোঁসলে গানটি গাইবেন। কিন্তু তিনি প্রয়াত হয়েছেন। তাই সুরকার গীতিকার মনোজিৎ গোস্বামী  ঠিক করলেন এমন একজনকে দিয়ে গানটিকে স্মরণীয় করে রাখবেন।  তিনিই পারেন। এই বাংলা তে কিশোর কুমার বলতেই তাঁর নামই সর্বাগ্রে আসে। তিনিই প্রথম চিরকালীন কিশোর কুমার গাঙ্গুলিকে  চির স্মরণীয় করে রেখেছেন। কিশোর কুমারের পাদুকা আজও তিনি  মর্যাদা সহকারে শ্রদ্ধা জানান। আজও তাঁকে বাদ দিয়ে কিশোর কুমারের জন্ম, মৃত্যু পালিত হয় না। সেই চিরকালীন কিশোর কণ্ঠি সংগীত শিল্পী গৌতম ঘোষ এবার নতুন করে 'ও মাঝিরে' গানটি গেয়েছেন ও দর্শকদের জন্য ভিডিও এলবাম এ অংশ গ্রহণ করেছেন। তবে এটা আর ডি বর্মনের পুরাতন 'ও মাঝিরে' নয়। মনোজিত গোস্বামীর কথা ও সুরে এবং দেবাশীষ সোমের সংগীতায়োজনে শ্রুতি মধুর গানটি রচিত হয়েছে। অনসূয়া সামন্তর ভিডিও পরিচালনায় এবং সীমন্ত সরদারের চিত্রায়নে শিল্পী গৌতম ঘোষ ছাড়া মনোজিৎ বড়াল, শুভম দাস এবং অনসূয়া সামন্ত অভিনয়ে করেছেন। আটলান্টিক মিউজিক থেকে অ্যালবামটি এই মাসেই মুক্তি পাবে ।

আজ থেকে ক্লিকে নতুন ছবি 'তবু মনে রেখো’

Image
সন্তু চ্যাটার্জী (কলকাতা):  মাতৃহারা এক তরুণী, যার শরীরে থাবা বসিয়েছে মরণব্যাধি লিউকিমিয়া। জীবনপ্রদীপ নিভে যাওয়ার আগেই নিজের অপূর্ণ স্বপ্নগুলোকে ছুঁয়ে দেখতে চায় সে। আর সেই ব্যাকুলতা থেকেই শুরু হয় হিমাচল প্রদেশের উদ্দেশ্যে এক নতুন পথচলা। এই আবেগঘন ও হৃদয়স্পর্শী গল্প নিয়ে আসছে নতুন বাংলা সিনেমা ‘তবু মনে রেখো’ ক্লিক  ও টি টি প্ল্যাটফর্মে। ঝুমা ভৌমিক ও নওয়াজ শরিফ মণ্ডলের যৌথ পরিচালনায় তৈরি হয়েছে ছবিটি। এছাড়া সামগ্রিক তত্ত্বাবধানে ছিলেন বিশাল পাল ও তুহিন সিনহা। প্রযোজনায়  রয়েছেন বিশাল পাল। ট্রেন সফর থেকে শুরু হওয়া ছোট ছোট মন ছুঁয়ে যাওয়া মুহূর্তগুলো দর্শকের হৃদয় দোলা দেবে। গল্পে রয়েছে প্রেমের নতুন মাত্রা এবং দারুণ এক টুইস্ট। নায়িকার জীবনের এই শেষ ইচ্ছার দৌড়ে তার ভালোবাসা কি পরিণতি পাবে? নাকি ভাগ্য অন্য কিছু লিখেছে? সেটাই এই ছবির মূল ক্লাইম্যাক্স। ছবিটিতে কেন্দ্রীয় চরিত্রে অভিনয় করছেন প্রসেনজিৎ ঘোষ ও লাবণী পাড়ুই। এছাড়া গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকায় দেখা যাবে রকি, অনিরুদ্ধ ভট্টাচার্য, শুভঙ্কর দাস-সহ অনেককে। উত্তর ভারতের মনোরম প্রাকৃতিক সৌন...

১৩ই সেপ্টেম্বর ২০২৬ হেল্পিং হ্যান্ডস অফ্ কলকাতা উদ্যোগে সপ্তম তম বর্ষের গণেশ পূজা আয়োজন*

Image
  শুভ ঘোষ (কলকাতা):- বেহালা জয়রামপুর জলা রোড বিজিপ্রেস সম্মুখ।হেল্পিং হ্যান্ডস অফ্ কলকাতা পরিচালনা আজকের প্রথম দিনের গণেশ পূজার মন্ডপের দ্বার উদ্ঘাটন করেন সভাপতি দিলীপ দাস,সম্পাদক কৃষান জয়সওয়াল, কোষাধক্ষ্য- মানষ বোস,দীপক সাউ, সহ-সম্পাদক ওম প্রকাশ যাদব,এছাড়া কলকাতা জেলা সভাপতি অনুপম ভট্টাচার্য,পশ্চিমবঙ্গের মাইনোরিটি মোর্চার সহ-সভাপতি এরশাদ আহমেদ,বিশ্ব হিন্দু পরিষদের ২৪ পরগনা জেলার সভাপতি নীলাঞ্জন লাহিড়ী,ভারতীয় মজদুর সংঘের রাজ্য সভাপতি (বি.এম.এস) শুভজিৎ মুখার্জি,কলকাতা ডিসট্রিক্ট কনভেনার পরিবহন(বি.এম.এস) বিশ্বজিৎ দাস এছাড়া আরো অনেক বিশিষ্ট অতিথিবর্গ প্রতিমার দ্বার উদঘাটন করেন। হেল্পিং হ্যান্ডস অফ্ কলকাতা ৪ই দিন ব্যাপী অনুষ্ঠানের ১৩ই সেপ্টেম্বর প্রতিমা দ্বার উদ্ঘাটন,১৪ই সেপ্টেম্বর গনেশ পূজার আয়োজন, ১৫ই সেপ্টেম্বর ৩০০০ লোকের ভোগ প্রসাদ বিতরণের আয়োজন,১৬ই সেপ্টেম্বর সন্ধ্যায় সাংস্কৃতিক সঙ্গীত অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়।                           

সর্বভারতীয় সঙ্গীত ও সংস্কৃতি পরিষদের আয়োজনে একাডেমি অফ ফাইন আর্টসে চলছে প্রথম আর্ট ফেয়ার

Image
ইন্দ্রজিৎ আইচ (সংবাদ এই সময়):- সর্বভারতীয় সঙ্গীত ও সংস্কৃতি পরিষদ ভারতীয় সাংস্কৃতিক ক্ষেত্রে এক উল্লেখযোগ্য নাম।  এই সংস্থা ৫০ বছর পার করে ফেলেছে গত বছর। সারা পৃথিবীতে তাদের ১০০০০ হাজার শাখা  রয়েছে। আছে অসংখ্য ছাত্র ছাত্রী। সঙ্গীতের সব ধারায় এমনকি বাদ্যযন্ত্র, নাচ, নাটক, অভিনয়, যোগব্যায়াম থেকে চিত্র, ভাস্কর্য সব কলায় এদের  জুরি মেলাভার। গর্বের বিষয় এই যে সর্বভারতীয় সঙ্গীত ও সংস্কৃতি পরিষদের উদ্যোগে  গত ১৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬ রবিবার সন্ধায় এই প্রথমবার আর্ট ফেয়ারের উদ্বোধন  হলো। এই আর্ট ফেয়ার চলবে আগামী ১৯ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত। এই আর্ট ফেয়ার উদ্বোধন করেন প্রখ্যাত চিত্রশিল্পী  সুব্রত গঙ্গোপাধ্যায়। অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি ছিলেন এডামাস ইউনিভার্সিটির প্রধান ড :সমিত রায়। ছিলেন অন্যান্য অতিথিদের মধ্যে ভাস্কর বিমল রায়, প্রদীপ মিত্র, অভিনেত্রী মিতা চ্যাটার্জী, তারক গড়াই, সুশান্ত সরকার, শিল্পী জয়দীপ চ্যাটার্জী, শিল্পী মলয় দত্ত,  ললিতকলা একাডেমির প্রধান রাভাস কুমার মোহন্তি, আর্ট সমালোচক প্রশান্ত দা, নৃত্য শিল্পী অমিতা দত্ত, চিত্...

তপন থিয়েটারে ‘নাথুরাম বলছি’র প্রথম অভিনয় যা এক কথায় মনে রাখার মতো

Image
ইন্দ্রজিৎ আইচ (সংবাদ এই সময়):- ​ইতিহাস কি শুধুই অতীতে ঘটে যাওয়া কিছু ঘটনার মৃত নথি, নাকি তা আজ ২০২৬ সালেও আমাদের মগজে বেঁচে থাকা কোনো বিষাক্ত মনস্তত্ত্বের আয়না? ১৯৪৮ সালের বিড়লা হাউসের অভিশপ্ত গোধূলিলগ্ন থেকে আজকের উগ্র সামাজিক আবহাওয়া—এই চিরায়ত সামাজিক সংঘাতকেই থিম করে গত ৩১শে আগস্ট তপন থিয়েটারের প্রায় পূর্ণ প্রেক্ষাগৃহে সাড়ম্বরে অভিনীত হলো মিতালী উৎসব নাট্য সংস্থা (মিউনাস)-এর ২৭তম বর্ষের বিশেষ নাট্যপ্রযোজনা ‘নাথুরাম বলছি’। নাট্যকার ও নির্দেশক উৎসব দাসের মনস্তাত্বিক অথচ প্রাঞ্জল রচনা ও পরিচালনায় নির্মিত এই নতুন কাজটির প্রথম প্রদর্শনী দেখতে শহরের নাট্যপ্রেমীদের উপস্থিতি ছিল লক্ষণীয়। ​নাটকটির প্রধান ভিত্তি হলো এর গভীর মনস্তাত্ত্বিক ভাবনা। কোনো প্রথাগত বায়োপিক না হয়েও, এটি মানুষের অবচেতন মন ও যৌথ প্রলাপের মধ্য দিয়ে অহিংসার সার্বজনীন প্রজ্ঞা এবং উগ্র চরমপন্থার অন্ধ যুক্তির এক উত্তপ্ত বিচারালয় তৈরি করে। প্রসেনিয়াম মঞ্চের ক্যানভাসে নাট্যকার অত্যন্ত দক্ষতার সাথে দেখিয়েছেন কীভাবে উগ্র হিংসা কোনো নির্দিষ্ট যুগে আটকে থাকে না, বরং সুযোগ পেলেই তা সাধারণ মানুষের জীবন কে...

সম্প্রীতি ও ভালোবাসার বন্ধনে রাখি বন্ধন উৎসব পালন করলো গোবরডাঙ্গা নাবিক নাট্যম

Image
ইন্দ্রজিৎ আইচ (সংবাদ এই সময়):-  গোবরডাঙা নাবিক নাট্যমের উদ্যোগে দিনভর রাখি উৎসব ও মনোজ্ঞ সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান পালিত হলো তাদের নিজস্ব প্রেক্ষাগৃহে।ভালোবাসা, ভ্রাতৃত্ব, সৌহার্দ্য ও সামাজিক সম্প্রীতির বার্তা নিয়ে উৎসাহ-উদ্দীপনার মধ্য দিয়ে পালিত হল রাখি বন্ধন উৎসব। গোবরডাঙা নাবিক নাট্যমের উদ্যোগে আয়োজিত এই বিশেষ অনুষ্ঠানে সারাদিন জুড়ে ছিল মানুষের সঙ্গে মানুষের মিলনের এক সুন্দর আবহ। সংস্কৃতি ও মানবিকতার মেলবন্ধনে এই আয়োজন হয়ে উঠেছিল এক আন্তরিক ও হৃদয়স্পর্শী উৎসব। রাখি বন্ধনের মূল উদ্দেশ্য শুধু ভাই-বোনের সম্পর্ককে আরও দৃঢ় করা নয়, বরং সমাজের প্রতিটি মানুষের মধ্যে ভালোবাসা, পারস্পরিক শ্রদ্ধা ও সম্প্রীতির বন্ধনকে সুদৃঢ় করা। সেই ভাবনাকেই সামনে রেখে গোবরডাঙা নাবিক নাট্যমের সদস্যরা এদিন সাধারণ মানুষের হাতে রাখি পরিয়ে দেওয়ার উদ্যোগ নেন। সকাল ৮টা থেকেই শুরু হয় রাখি পরানোর কর্মসূচি। পথচলতি সাধারণ মানুষ, পরিচিত-অপরিচিত মানুষ—সকলের হাতেই আন্তরিকতার সঙ্গে রাখি পরিয়ে দেওয়া হয়। শিশু থেকে প্রবীণ, তরুণ থেকে সাধারণ পথচারী—সকলেই এই সুন্দর উদ্যোগে স্বতঃস্ফূর্তভাবে অংশগ্রহণ করেন।...