বিশ্ব সনাতনী সংস্কৃতি পরিষদের পরিচালনায় হরিদেব পুরে হয়েগেল বিরাট সনাতনী সম্মেলন
সনাতন ধর্মের প্রাচীন ঐতিহ্য, সংস্কৃতি এবং মানবকল্যাণমূলক দর্শনকে বিশ্বমঞ্চে তুলে ধরার লক্ষ্যে হরিদেবপুর কৈবল্য নগরে ২২শে জুন অনুষ্ঠিত হলো “বিরাট সনাতনী সম্মেলন”। ব্যবস্থাপনা ও পরিচালনায় বিশ্ব সনাতনী সংস্কৃতি পরিষদ।বহু বিশিষ্ট ধর্মীয় নেতা, গবেষক, শিক্ষাবিদ এবং সাংস্কৃতিক ব্যক্তিত্বরা এই অনুষ্ঠানে অংশগ্রহণ করেন। তার মধ্যে ভারত সেবাশ্রম সংঘের সর্ব ভারতীয় সাধারণ সম্পাদক দিলীপ মহারাজ এর আশীর্বাদ ও উপস্থিতিতে প্রদীপ প্রজ্জলিত করা হয় সূচনা লগ্নে।সম্মেলনের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে তিনি বলেন সনাতনী সংস্কৃতি কেবল একটি ধর্মীয় পরিচয় নয়, বরং এটি মানবতা, সহনশীলতা, প্রকৃতিপ্রেম এবং বিশ্বভ্রাতৃত্বের এক অনন্য জীবনদর্শন। বর্তমান সময়ে সামাজিক বিভাজন ও মূল্যবোধের অবক্ষয়ের মধ্যে সনাতন সংস্কৃতির শিক্ষা মানুষের মধ্যে শান্তি ও সম্প্রীতির বার্তা পৌঁছে দিতে পারে। পাশাপাশি এদিন অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন কটারী মহারাজ,ধনন মহারাজ,নিরগুনা নন্দ মহারাজ,স্বামী বন্ধু গৌরব ব্রহ্মচারী সহ উপস্থিত ছিলেন স্বনামধন্য অভিনেতা কুণালজিত মিত্র। অনুষ্ঠানে বৈদিক মন্ত্রোচ্চারণ, বন্দে মাতরম সংগীত, সহ ছিল শুভ্রারুপা দত্ত র কোরিওগ্রাফি তে অসাধারণ নৃত্যানুষ্ঠান।যেখানে নৃত্য পরিবেশন করেন শুভ্রারূপা দত্ত, সীমা দাস,ছন্দা দাশগুপ্ত, শুভ্রা চক্রবর্তী, নেহা ও ভারত মাতা সঞ্জিতা দাস।সাংস্কৃতিক পরিবেশনার মাধ্যমে ভারতীয় ঐতিহ্যের সমৃদ্ধ রূপ তুলে ধরা হয়। এছাড়াও তরুণ প্রজন্মের মধ্যে সংস্কৃতি ও নৈতিক শিক্ষার প্রসারের ওপর বিশেষ গুরুত্ব আরোপ করা হয়। সংগঠনের সভাপতি অভিজিৎ বোস এবং সেক্রেটারি সুবীর রঞ্জন চক্রবর্তী দুজনে জানান বিশ্বায়নের যুগে নিজস্ব সংস্কৃতি ও ঐতিহ্যকে বিশেষ করে সনাতনী কে সংরক্ষণ করা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। আধুনিক প্রযুক্তির মাধ্যমে সনাতনী জ্ঞান, দর্শন ও সংস্কৃতিকে বিশ্বের বিভিন্ন প্রান্তে পৌঁছে দেওয়ার উদ্যোগ গ্রহণ করা হয়েছে।
সম্মেলনের সমাপ্তি অনুষ্ঠানে বিশ্বশান্তি, মানবকল্যাণ এবং সাংস্কৃতিক ঐক্যের জন্য বিশেষ জোর দেওয়া হয়। মহারাজ দের আশীষ বচন এবং উপস্থিত অতিথিরা আশা প্রকাশ করেন যে, এ ধরনের উদ্যোগ ভবিষ্যতে বিশ্বব্যাপী সনাতনী সংস্কৃতির প্রচার ও প্রসারে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করবে।
Comments
Post a Comment